Blog Single

21 Nov

ফেসবুক বন্ধ করে রাখায় কি কি সমস্যা হতে পারে

বর্তমানে ফেসবুক সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি যোগাযোগ মাধ্যম এবং এর ব্যাপক ব্যবহারের কারণে প্রায় সকলেই এখন ফেসবুক ব্যবহার করে থাকেন। ফেসবুক কতটা জনপ্রিয় তা গত দুইদিনেই অনেকটা বুঝা গেছে। তবে সরকারের ফেসবুক বন্ধের এ সিদ্ধান্ত কতটা সঠিক ও যুক্তিসঙ্গত ছিলো? আর ফেসবুক বন্ধ করে রাখায় কি কি সমস্যা হতে পারে বা হয়েছে? আর এজন্য কি কোন বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিলো? তা মনে হয়না সরকার ভেবেছে।

 

  • বর্তমানে অনেকেই ফেসবুক পেইজকে ঘিরে অনলাইন শপিং চালু করে সেখানে বেচাকেনা করে জীবিকানির্বাহ করছে। এক্ষেত্রে তাদের সবই নির্ভর করে ফেসবুককে কেন্দ্র করে এবং এর জন্য অবশ্যই ক্রেতাকে ফেসবুকেই থাকতে হচ্ছে। যখন ফেসবুকেই ক্রেতা নেই তখন তাদের বেচাকেনাও বন্ধ। আর যেহেতু সরকার হটাতই ফেসবুক বন্ধ করেছে এক্ষেত্রে তাদের বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণের জন্যও সময় ছিলোনা। তবে সরকার সবসময়েই সকলকে সামনে থেকে এধরণের অনলাইন কেনাবেচায় আগ্রহী করে তুলতে ভূমিকা রেখেছে এবং রাখবে।

 

  • বেশীরভাগ ওয়েবসাইটেই ফেসবুক লাইক বক্স নামের একটি উইজেট থাকে যা ফেসবুকের পেইজ বা প্রোফাইল থেকে বিভিন্ন তথ্য দেখিয়ে থাকে। এমনকি বর্তমানে সরকারি অনেক ওয়েবসাইটে এই অপশন রাখা আছে। তবে ফেসবুক এর ওয়েবসাইট বন্ধ করে রাখায় যেসকল ওয়েবসাইট এ ফেসবুক লাইক বক্স রয়েছে সেসকল ওয়েবসাইট এ ঢুকতে না পারার সম্ভাবনা কতটুকু? আর ঢুকতে যাতে সমস্যা না হয় সেজন্য কোন বিকল্প ব্যবস্থা কি রাখা হয়েছে?

 

  • অনেকের আত্মীয়স্বজন দেশের বাইরে থাকে এবং তাদের যোগাযোগের জন্য একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। ফেসবুক বন্ধ করায় তারা যাতে বিকল্প ব্যবস্থা চালু করতে পারে সেজন্য কি কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বা তাদের বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সময়টুকু দেয়া হয়েছে? অবশ্যই প্রশ্ন আসতে পারে যে পরেওতো বিকল্প ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব তবে তা কতজনের পক্ষে সম্ভব সেটাও মুখ্য বিষয়। আর কেউ বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও সেটা কিভাবে জানাবে তাও ভাবার বিষয়। কেননা দেশের অনেক মানুষ এখনো ফেসবুক ব্যবহার করা শিখছে অন্য কারো সহায়তায়। এবং শুধু প্রয়োজনের কারণেই।

 

  • কিভাবে ফাঁকি দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় এবং সেই সাথে অন্যায় কিভাবে করা যায় তা বর্তমানে অনেকেই শিখে যাচ্ছে শুধু বাধ্য হয়ে। কেননা তাদের এখন একটি মৌলিক চাহিদাই একটি অন্যায় শিখে নেয়ার সাথে জড়িয়ে গেছে। এখন এই অন্যায় কাজটি শিখতে কে বাধ্য করছে? আর এখন শিখে নেয়া অন্যায় কাজটি যে তারা পরেও অন্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করবে না তার নিশ্চয়তা কি?

Related Posts

Leave A Comment