Blog Single

12 Dec

একটি মুহূর্তের নির্দোষ সাক্ষী

তখন Mig33 খুব জনপ্রিয় ছিলো। আমিও ব্যবহার করতাম। এই সময়ের এক ঘটনা দূরে এক স্থানে চাকরি নিলাম। আমার বাসা থেকে অনেক দূরে। একদিন জবের মাঝখানে এক দোকানে গেলাম চা খেতে। সেই সময়ে একজন কল দিলো কিছু Payza ডলারের জন্য। সে আবার আমার আগের এক জবের সময়ে সেই কোম্পানির মালিকও ছিলো। যাই হোক মোবাইল এ তাকে বললাম এখন নেই কিন্তু মানিবুকারস আছে। হ্যাঁ তখন নাম এটাই ছিলো, স্ক্রিল না। যাইহোক দোকানে বসা এক ছেলে তা নোটিশ করে। আমি যখনি বের হতে যাই সে ডাক দিয়ে ডলারের ব্যাপারে কথা বলে। সে জানতো না ডলার কিনতে পাওয়া যায় এবং তার দরকার মিগের জন্য ক্রেডিট কিনতে। কারণ মিগ মানিবুকারসকে সাপোর্ট করতো। সে ডলার পেলে ক্রেডিট কিনতে পারবে। তাই আমার নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা নিয়ে যায়।

এর অনেকদিন পর, ততদিনে সেই জব ও ছেড়ে দিয়েছি। একদিন মিগে এক রুমে আড্ডা দিচ্ছিলাম। সেখানে সবাই অপরিচিত। আর এর একজন ছিলো যে আমার ব্যাপারে জানতে খুবই আগ্রহী। কিন্তু কোন তথ্য নেই। সেই রুমে সেই ব্যাক্তি হটাত বলে বসলো ভাই আমাকে চিনছেন। আমি বললাম নাতো। সে বললো ঐ যে এক দোকানে চা খেতে খেতে পরিচয় হয়েছিলো।
কি দরকার ছিলো তার সাথে এরকম স্থানেই আবার দেখা হওয়ার? যদি না হতো আমি হয়তোবা এখন যেমন আছি তেমন থাকতাম না। অনেক বেশী চেঞ্জ হয়ে গেছি। অনেক বেশী এলোমেলো হয়ে আছি।  আর সেই এলোমেলোর পিছনে একজনই আছে। না সেই ছেলেটি নয়। সে জাস্ট একটি মুহূর্তের নির্দোষ সাক্ষী। যদিও সেই মুহূর্ত আমাকে আজো কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে। গোপনে অগোচরে।

Related Posts

Leave A Comment